কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম

 আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা তথ্য আইটির পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম।আজকে আমরা জানবো, কৃমির ট্যাবলেট খাবার খাওয়ার আগে না পরে খেতে হয়।

বর্তমানে সারা বিশ্বে কৃমির সংক্রামন বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর সবচেয়ে বড় কারন হচ্ছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব।এই ধরনের সংক্রমণের জন্য বিভিন্ন রকম ট্যাবলেট আবিষ্কার করা হয়েছে। যা কৃমি নাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

কৃমির ট্যাবলেট খাবার খাওয়ার আগে না পরে খেতে হয়

কৃমির ট্যাবলেট গুলো সাধারণত ট্যাবলেট নির্দশক দেখে খাওয়া উচিত।বর্তমান সময়ে কৃমির ট্যাবলেট খাবার খাওয়ার আগে অর্থাৎ খালি পেটে খাওয়ার নির্দশক দেওয়া হয়ে থাকে।

দেহে কৃমির সংক্রমন কিভাবে বুজবো 

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার আগে কৃমির সংক্রমণ হয়েছে কি না, তা সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি।কৃমির সংক্রমন এর মুল লক্ষ্য হলো পেটে ব্যাথা ও ডায়রিয়া। পরজীবি দ্বারা সৃষ্ট এই কৃমি সংক্রমণের ফলে ডায়রিয়া, পেট ব্যাথা ও অপুষ্টি জনিত লক্ষন দেখা দিতে পারে।

কৃমির লক্ষন গুলো কি কি?

১.পেট ফুলে যাওয়া

২.মুখে থু থু বেশি আকারে উঠা

৩.পেটে প্রচুর পরিমান ব্যাথা করা

৪.কৃমির পরিমার বেশি বেড়ে গেলে বমি করা

৫.পায়ু পথে ব্যাথা বা চুলকানি

উপরের এই পাঁচটি লক্ষন দেখা দিলে বুজবেন আপনার কৃমি হয়েছে।

খালি পেটে কৃমির ট্যাবলেট কেন খাবেন?

খালি পেটে খাওয়ার প্রধান কারন হচ্ছে গ্যাস্টিক এর প্রভাব।খালি পেটে গ্যাস্টিকের চাহিদা বা উচ্চ মাত্রা চর্বি যুক্ত খাবার কম থাকে।আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন প্রকার খাবার খেয়ে থাকি।এই খাবার গুলো তে বিভিন্ন প্রকার চর্বি যুক্ত খাবার থাকে,যা দেহে প্রবেশ করলে গ্যাস্টিক এর সম্ভাবনা থাকে। যেমন গ্যাস্টিক এর প্রভাব দেখা দিলে দেহের বা বুক জ্বালা পুড়া করে।এই পরিস্থিতিতে কৃমির ট্যাবলেট খাওয়া টা ঝুঁকিপুর্ন।তাই খালি পেটে খাওয়া টা গুরুত্বপূর্ণ।

কৃমির ট্যাবলেট এর কয়েকটি নাম গুলো কি কি? 

১.সোলাস

২.জাইবেন্ড ৪০০mg ট্যাবলেট

৩.জেলবেন্ড ৪০০mg ট্যাবলেট

৪.জেন্টেল ৪০০mg ট্যাবলেট

৬.নোওর্ম ৪০০mg ট্যাবলেট

উপরের এই ছয়টি ট্যাবলেট খাওয়ায় কৃমি নাশক হয়।এই ট্যাবলেট গুলো সাধারণত খালি পেটে খাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

কত দিন পর পর কৃমির ট্যাবলেট খাবেন

কৃমির ট্যাবলেট এর নির্দেশনা অনুযায়ি প্রতি ৩মাস পর পর এই ট্যাবলেট খাওয়া টা জরুরি। কৃমি সাধারনত ট্যাবলেট খাওয়ার ৩মাস পরে আবার আক্রমন করে থাকে। এই জন্য ৩মাস পর পর কৃমির ট্যাবলেট খাওয়া উচিত।

প্রিয় বন্ধুরা আজ এই পর্যন্তই পরবর্তীতে আবারও কোন সাস্থ্য ভালো  থাকার টিপস নিয়ে চলে আসবো। ততক্ষন পর্যন্ত ভালো ও সুস্থ্য থাকুন।

Next Post Previous Post